account_balance About Dhaka City College

ঢাকা সিটি কলেজের পরিচিতি

ঐতিহ্য, শিক্ষা, জ্ঞান ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ঢাকা সিটি কলেজের দীর্ঘ পথচলা

history_edu

কলেজ পরিচিতি

একবিংশ শতকের সূচনালগ্নে রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র ধানমন্ডি ২ নম্বর সড়কে অবস্থিত আজকের ঢাকা সিটি কলেজ ১৯৫৭ সালে স্থাপিত হয় ঢাকা সিটি নাইট কলেজ হিসেবে।

ওয়েস্ট এন্ড হাই স্কুলের সীমিত পরিসরে যার যাত্রা শুরু, দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী কাল পেরিয়ে আজ বাংলাদেশের শিক্ষাজগতে তার অবস্থান সুদৃঢ় ও নেতৃস্থানীয়। ৬০-এর দশকে কিছুদিন ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থানের পর ’৭০ সালে আজকের স্থানটিতে কলেজটির কার্যক্রম শুরু হয়।

১৯৭৭ সালে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ হাফিজ উদ্দিন দায়িত্বভার গ্রহণ করার পরপরই আধুনিক ঢাকা সিটি কলেজের নতুন অভিযাত্রা শুরু হয়। সুদীর্ঘ ৩৩ বছর সফলভাবে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালনের পর কর্মরত অবস্থায় প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ প্রফেসর মোঃ হাফিজ উদ্দিন ২০০৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করেন। অধ্যক্ষ মোঃ হাফিজ উদ্দিনকে আমরা ‘আধুনিক ঢাকা সিটি কলেজ-এর রূপকার’ হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকি।

কলেজ গভর্নিং বডির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সাবেক ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার খানে আলম খানের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় ১৯৮৯ সালের মধ্যে দু’দুটো বৃহৎ বিল্ডিং নির্মিত হয়। ইতোমধ্যে আরেকটি বিল্ডিং-এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ১৯৯১ সালে নৈশ বিভাগ বাদ দিয়ে ছাত্রীদের জন্য শুরু হয় প্রভাতী শাখা।

অরাজনৈতিক ছাত্র-কাউন্সিল প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে কলেজের শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হয় ১৯৯২ সালে। ইতোমধ্যে কলেজের নিজস্ব অর্থায়নে দু’টি জায়গা ক্রয় করা হয়। একটি কলেজ সংলগ্ন ১৩ কাঠা জায়গা যার উপর ৬-তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। অন্যটি ধানমন্ডি ৩/এ রোডে এক বিঘা জায়গা। যার ওপর ছয়তলা বিল্ডিং-এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।

এছাড়াও স্নাতক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে সিমেস্টার কোর্স এবং পরীক্ষা পদ্ধতি প্রবর্তনের সুফল ১৯৮০ সাল থেকে অদ্যাবধি প্রবহমান। এর প্রকৃষ্ট প্রমাণ ১৯৮৪ থেকে বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় প্রতি বছর বহুসংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা তালিকায় স্থান লাভ।

সাম্প্রতিক সময়ে চালুকৃত গ্রেডিং পদ্ধতির বোর্ড পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষায় ও বিজ্ঞান বিভাগে সর্বাধিক সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীর জিপিএ ৫ প্রাপ্তি এর অন্যতম প্রমাণ।

১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষে উচ্চতর কোর্স প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে কলেজের অগ্রযাত্রায় যোগ হয় নতুন মাত্রা। ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান ও মার্কেটিং বিষয়ে সম্মান ও এম.বি.এস. ১ম পর্ব ও শেষ পর্ব শুরুর ভিতর দিয়ে উচ্চতর শিক্ষা বিস্তারের অভীষ্ট লক্ষ্যে কলেজটি এগিয়ে যাচ্ছে।

১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষ হতে ইংরেজি বিষয়ে সম্মান, ১৯৯৮-’৯৯ শিক্ষাবর্ষ হতে বি.এসসি. (সম্মান) কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, বি.বি.এ. এবং ২০০৩-’০৪ শিক্ষাবর্ষ হতে বি.বি.এস. (সম্মান) ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং কোর্সসমূহ চালু করা হয়।

২০১২-’১৩ শিক্ষাবর্ষে বিএসএস (সম্মান) অর্থনীতি বিষয়ে শিক্ষাদান শুরু হয়েছে। ২০০৪ সাল হতে নিয়মিত এম.বি.এ. কোর্স প্রবর্তন করা হয়েছে। গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করে দক্ষ মানব সম্পদ উপহার দেয়ার লক্ষ্যে বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা ও উন্নত বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুসৃত নীতি ও পদ্ধতির আলোকে কলেজে চালু হয়েছে শিক্ষাদানের নিজস্ব পদ্ধতি।

account_tree

প্রশাসনিক কাঠামো

ঢাকা সিটি কলেজ একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক অনুমোদিত উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক (পাস) ও বিবিএ সম্মান হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স এ- ব্যাংকিং, বি.এ. সম্মান ইংরেজি, বিএসএস (সম্মান) অর্থনীতি, বি.এসসি. অনার্স-ইন-কম্পিউটার সায়েন্স এ- ইঞ্জিনিয়ারিং, ব্যাচেলর অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ প্রফেশনাল) এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন কোর্সে পাঠদান করা হয়।

এ কলেজটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি অনুযায়ী গঠিত গভর্নিং বডি দ্বারা পরিচালিত। গভর্নিং বডি কলেজ সংক্রান্ত যাবতীয় নীতি নির্ধারণ করে এবং সে সকল নীতি অনুযায়ী কলেজটি পরিচালিত হয়।

কলেজ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহ
অধ্যক্ষ : অধ্যক্ষ হচ্ছেন কলেজের নির্বাহী প্রধান। তিনি গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তের আলোকে কলেজের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যাবলি পরিচালনা করেন।
উপাধ্যক্ষ : অধ্যক্ষের নির্দেশানুসারে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কাজে সহায়তা করে থাকেন।
বিভাগীয় প্রধান/কো-অর্ডিনেটর : যে সকল বিষয়ে সম্মান ও মাস্টার্স কোর্স প্রবর্তন করা হয়েছে সে সকল বিষয়ে একাডেমিক কার্যাদি সম্পাদনে অধ্যক্ষকে সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতি বিষয় থেকে একজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিভাগীয় প্রধানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়। চার বছর মেয়াদি বি.বি.এ. প্রফেশনাল এবং বি.এসসি. অনার্স ইন কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের একাডেমিক কার্যাদি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে অধ্যক্ষকে সহায়তা করার লক্ষ্যে প্রত্যেক কোর্সের জন্য একজন শিক্ষককে কো-অরডিনেটরের দায়িত্ব দেয়া হয়।
school

প্রবর্তিত কোর্সসমূহ

উচ্চ মাধ্যমিক: উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান বিভাগ, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ, মানবিক বিভাগে শিক্ষাদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ঢাকা সিটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বাংলা মাধ্যমের পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমেও অধ্যয়ন করার সুযোগ রয়েছে ।
বিবিএ (সম্মান): হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং।
বিএ (সম্মান): ইংরেজি ও বাংলা।
বিএসএস (সম্মান): অর্থনীতি।
বিএসসি (সম্মান): কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং।
বিবিএ (প্রফেশনাল): চার বছর মেয়াদি বিবিএ (প্রফেশনাল) কোর্স।
এমবিএ (শেষ বর্ষ): হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং।
এমএ (শেষ বর্ষ): ইংরেজি।
এমএসএস (শেষ বর্ষ): অর্থনীতি।
groups

দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক

(i) ক্লাস পর্যবেক্ষণ : দুইজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ক্লাস পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব দেয়া হয়।
(ii) পরীক্ষা পরিচালনা : কলেজের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা যেমন ক্লাশ টেস্ট, সিমেস্টার পরীক্ষা, প্রস্তুতিমূলক পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট এবং বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য তিনজন শিক্ষককে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়।
(iii) শ্রেণি শিক্ষক : প্রতিটি সেকশনে একজন করে শ্রেণি শিক্ষক নিয়োজিত থাকেন যারা ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা সংশ্লিষ্ট শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস টেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট, সিমেস্টার পরীক্ষার ফলাফল এবং ক্লাস উপস্থিতির হার সংগ্রহ, বিন্যাস, প্রকাশ ও সংরক্ষণ করেন। এছাড়াও তারা ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কলেজ প্রশাসন ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে।
(iv) গাইড টিচার : অত্র কলেজে বেশ কয়েকটি বিষয়ে সম্মান এবং এম.বি.এস. প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব চালু করা হয়েছে। উক্ত কোর্সসমূহে বিভিন্ন পর্বে ছাত্র/ছাত্রীদের সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব পালনের জন্য বিভিন্ন পর্বের প্রতি সেকশন/বিভাগের জন্য এক বা একাধিক গাইড টিচারের ব্যবস্থা রয়েছে।
how_to_reg

ভর্তি প্রক্রিয়া

ঢাকা সিটি কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ভর্তির ক্ষেত্রে কলেজ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

১) উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ভর্তি
এ পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলি অনুসরণ করা হয়। এ ক্ষেত্রে ভর্তিচ্ছু ছাত্র-ছাত্রীদেরকে পছন্দের তালিকায় ঢাকা সিটি কলেজকে ১ নম্বরে রেখে অনলাইনে এসএমএস-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত মেধা তালিকা অনুযায়ী ভর্তি করা হয়।
২) বিবিএ, বিএ (সম্মান), সিএসসি (সম্মান), বিবিএ প্রফেশনাল ও বিএসএস (সম্মান) অর্থনীতি কোর্সে ভর্তি
বিবিএ (সম্মান): হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং ও ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং; বিএ (সম্মান): ইংরেজি ও বাংলা; বিএসএস (সম্মান): অর্থনীতি; বিএসসি (সম্মান): কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং; এবং বিবিএ প্রফেশনাল কোর্সে ছাত্র ও ছাত্রী উভয়কেই ভর্তি করা হয়। এক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি অনুসরণ করা হয়।
৩) এমবিএ, এমএ ও এমএসএস (শেষ পর্ব)-এ ভর্তি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বিভিন্ন কলেজ হতে যেসব ছাত্র-ছাত্রী সম্মান ও মাস্টার্স ১ম পর্ব পরীক্ষায় পাস করে, তাদেরকে এমবিএ (শেষ পর্ব)-এ হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, ইংরেজি এবং অর্থনীতি বিষয়ে ভর্তি করা হয়।
menu_book

পাঠদান পদ্ধতি

উচ্চ মাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত সকল পর্যায়ে বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমভুক্ত কোর্সসমূহের পাঠদান কার্যক্রম নির্দিষ্ট সময়ে যথাযথভাবে সম্পন্ন করা এবং বাস্তব জীবনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের উপযোগী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা সিটি কলেজে রয়েছে একটি আদর্শ ও পরীক্ষিত পাঠদান পদ্ধতি। এই পাঠদান পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:

(ক) কোর্সসমূহের বিন্যাস
প্রতিটি কোর্সকে একাধিক সেমিস্টারে ভাগ করে পুস্তিকাকারে শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে তা তুলে দেওয়া হয়, যাতে তারা পুরো কোর্স, সেমিস্টার, ক্লাস টেস্ট, অ্যাসাইনমেন্ট ও ইনকোর্স পরীক্ষা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করতে পারে।
(খ) শ্রেণিকক্ষে পাঠদান
দুটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে শিক্ষকগণ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করে থাকেন— (১) নির্দিষ্ট সময়ে কোর্স সম্পন্ন করা এবং (২) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী পুরো কোর্সটি সম্যকভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে কি না, তার নিশ্চয়তা বিধান করা। এ লক্ষ্যে শিক্ষকগণ লেকচারের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রয়োজনমাফিক তথ্য ও লেকচার সিনোপসিস সরবরাহ করে থাকেন। ছাত্র-ছাত্রীদের অগ্রগতি মূল্যায়নের লক্ষ্যে ক্লাসের একটি নির্দিষ্ট সময় প্রশ্নোত্তরের জন্য নির্ধারিত রাখা হয়।
(গ) ক্লাসের সময়সীমা ও সংখ্যা
কোর্সের পরিধি ও শিক্ষার্থীদের গ্রহণ ক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ক্লাসের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয় এবং ক্লাসের শুরুতেই কোর্স আউটলাইনের মাধ্যমে ক্লাস সংখ্যা জানিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিটি ক্লাসের সময়সীমা শ্রেণিভেদে ৪০/৪৫/৬০/৯০ মিনিট।
(ঘ) ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত
পাঠদানকে ফলপ্রসূ, অধিকতর কার্যকর এবং ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে রাখা হয়েছে। এ অনুপাত সাধারণত ১:৩৫ থেকে ১:৪০-এর মধ্যে হয়ে থাকে।
(ঙ) মেধাক্রম নির্ধারণ
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বরের পাশাপাশি কোড নম্বর দেওয়া হয়। মেধানুসারে সেকশনগুলো পুনর্বিন্যাস করা হয়।
(চ) বিশেষ ক্লাস
মেধাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে বোর্ড এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসমূহে সর্বোচ্চ জিপিএ পেতে পারে ও মেধা তালিকায় স্থান লাভ করতে পারে এবং স্বল্প মেধাসম্পন্ন ছাত্র-ছাত্রীরাও যাতে সন্তোষজনক ফলাফল লাভে সক্ষম হয়, সে লক্ষ্যে উভয় গ্রুপের জন্য বিশেষ ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়।
(ছ) শিক্ষা সফর
সম্মান ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিক্ষা সফরের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যবসায় অনুষদের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে জ্ঞান অর্জনের জন্য স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।
school

ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞাতব্য নিয়মাবলি

শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য ঢাকা সিটি কলেজের নিজস্ব নিয়ম-নীতি রয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা, শিষ্টাচার, মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এ কলেজে নিম্নোক্ত নিয়মাবলি অনুসরণ ও মেনে চলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

ক) কলেজে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতির হার ১০০% হওয়া কাম্য। আমরা আশা করি, প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী ১০০% ক্লাসে উপস্থিত থাকবে।
খ) তত্ত্বীয় অথবা ব্যবহারিক ক্লাস শুরু হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দিনের সকল ক্লাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীকে কলেজ ক্যাম্পাসে থাকতে হবে। টিফিন পিরিয়ডেও কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে যাওয়া যাবে না।
গ) কলেজে শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ। প্রয়োজনে অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষার্থে সাধারণ মোবাইল ফোন (বাটন ফোন) কলেজে নিয়ে আসতে পারবে। কিন্তু তা ক্লাসরুম, পরীক্ষার হল ও ল্যাবে ব্যবহার করা যাবে না। ক্যামেরা, হ্যান্ডিক্যাম, স্মার্টফোন এবং ছবি তোলার উপযোগী যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস কলেজে আনা নিষিদ্ধ। এ ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস কোনো ছাত্র-ছাত্রীর কাছে পাওয়া গেলে তা জব্দ করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘ) কলেজ কর্তৃক নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান করে কলেজে আসা বাধ্যতামূলক। ইউনিফর্ম শুধু বাহ্যিক কোনো পোশাক নয়; এটি মানুষের সাম্যবোধ, সহিষ্ণুতা ও আত্মোপলব্ধি বাড়িয়ে দায়িত্ববোধে সচেতন করে তোলে। তাই ছাত্র-ছাত্রীরা ইউনিফর্মকে যথাযথ গুরুত্ব প্রদান করবে। ইউনিফর্ম ও আইডি কার্ড ছাড়া কাউকে কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। কলেজে অবস্থানকালে সর্বদা নির্ধারিত ফিতার সাহায্যে আইডি কার্ডটি গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
ঙ) পাঠদান ও পাঠগ্রহণের জন্য কোলাহলমুক্ত পরিবেশ দরকার। সুতরাং এরূপ পরিবেশ রক্ষার জন্য কলেজ ক্যাম্পাস, কলেজ করিডোর এবং ক্লাসরুমে হৈচৈ, চিৎকার বা শব্দ করা একেবারেই নিষিদ্ধ। পাঠদানের সময় অপ্রয়োজনীয় কথা বলে শিক্ষককে বিরক্ত করা এবং সহপাঠীদের পাঠগ্রহণে বিঘ্ন সৃষ্টি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
চ) কোনো ছাত্র বা ছাত্রী অসুস্থতা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে কলেজে আসতে না পারলে তাকে অতিসত্বর ব্যক্তিগতভাবে অথবা টেলিফোনের মাধ্যমে কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। অন্যথায় অনুপস্থিতির মার্জনা বিবেচনা করা হবে না।
ছ) অপরিচিত কারও প্ররোচনায় কলেজের বাইরে বা কলেজের আশেপাশে কোনো অপরিচিত জায়গায় যাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
জ) শিক্ষক হাজিরা খাতায় (অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টার) উপস্থিতি নিশ্চিত করার সময় ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে এবং যথানিয়মে নিজের উপস্থিতি প্রদান করতে হবে। কোনো ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত কারও নামে উপস্থিতির প্রক্সি দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝ) ক্লাস চলাকালে বিশেষ কারণ ছাড়া এবং শিক্ষকের বিনা অনুমতিতে শ্রেণিকক্ষের বাইরে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একইভাবে শিক্ষক/শিক্ষিকার অনুমতি ছাড়া কেউ শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না।
ঞ) ক্লাস শুরুর ঘণ্টা বাজার পাঁচ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে না এলে শ্রেণিপ্রতিনিধি এ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধান, উপাধ্যক্ষ অথবা অধ্যক্ষ মহোদয়কে অবহিত করবে। এ সময় ছাত্র-ছাত্রীরা শ্রেণিকক্ষে নীরবতা বজায় রেখে নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করবে।
ট) ক্লাস শুরু হওয়ার দশ মিনিটের মধ্যে কোনো ছাত্র-ছাত্রী শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ না করলে সে অনুপস্থিত হিসেবে গণ্য হবে এবং হাজিরা খাতায় তাকে অনুপস্থিত হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।
ঠ) শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কোনো ছাত্র-ছাত্রী হোয়াইট বোর্ড ও মার্কার ব্যবহার করতে পারবে না।
ড) প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী তার নিজ শ্রেণিকক্ষ ও নিকটবর্তী দেয়াল পরিষ্কার রাখবে। কোনো শ্রেণিকক্ষ বা নিকটবর্তী দেয়ালে কোনো লেখা পাওয়া গেলে ঐ শ্রেণিকক্ষের ছাত্র-ছাত্রীদেরকেই দায়ী করা হবে।
ঢ) ক্লাসে ও কলেজ ক্যাম্পাসে থাকাকালীন প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী অবশ্যই তার পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে রাখবে, যাতে তাকে সহজেই এ কলেজের ছাত্র/ছাত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
ণ) ক্লাস চলাকালীন সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসরুমের মধ্যে অবস্থান করবে। এ সময়ে কারও করিডোরে অবস্থান কাম্য নয়।
ত) ক্লাস চলাকালে কোনো ছাত্র-ছাত্রী ক্যান্টিন, ক্যাম্পাস এমনকি লাইব্রেরিতেও অবস্থান করতে পারবে না।
থ) কোনো ছাত্র-ছাত্রী তার নিজ ক্লাসরুম ব্যতীত অন্য কোনো ক্লাসরুমে প্রবেশ করতে পারবে না।
দ) কলেজে বই-পুস্তক, খাতা-কলম এবং প্রয়োজনীয় উপকরণ ছাড়া কোনো অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে আসা যাবে না। বই-পুস্তক ও খাতাপত্র আনার জন্য ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে।
ধ) ক্লাসে, কলেজ ক্যাম্পাসে বা ক্যাম্পাসের বাইরে কলেজের কোনো ছাত্র-ছাত্রীর সঙ্গে কোনো ধরনের মারামারি বা গোলযোগে সংশ্লিষ্টতা কাম্য নয়। কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
family_restroom

অভিভাবকদের জ্ঞাতব্য

ক) ছাত্র-ছাত্রীদের ব্যাপারে নিয়মিত খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য অভিভাবকদের আমরা উৎসাহিত করি।
খ) অসুস্থতা বা অন্য কোনো যৌক্তিক কারণে ছাত্র-ছাত্রী কলেজে আসতে না পারলে অতিসত্বর স্বশরীরে বা ফোনের মাধ্যমে কলেজ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। অসুস্থতার ক্ষেত্রে প্রমাণস্বরূপ ডাক্তার প্রদত্ত প্রেসক্রিপশনের ফটোকপি উক্ত আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করে দিতে হবে। উল্লেখ্য, অযৌক্তিক কারণে ক্লাসে অনুপস্থিতি আমরা দৃঢ়ভাবে নিরুৎসাহিত করি।
গ) একাদশ শ্রেণিতে সেমিস্টার পরীক্ষার ফল প্রস্তুত হলে অভিভাবকদের সঙ্গে কলেজ কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয় এবং ঐ সভাতেই ছাত্র-ছাত্রীদের সেমিস্টার পরীক্ষার পাঠোন্নতিপত্র (প্রোগ্রেস রিপোর্ট) দেওয়া হয়।
ঘ) অভিভাবকগণ ইচ্ছা করলে যেকোনো দিন অনুমতি সাপেক্ষে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
ঙ) কোনো ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসে উপস্থিত না হলে ঐ দিনই এসএমএস-এর মাধ্যমে মোবাইল ফোনে সংশ্লিষ্ট অভিভাবককে অবহিত করা হয়।
চ) কখনো কখনো দেখা যায়, ছাত্র-ছাত্রীর মাধ্যমে অভিভাবককে ডাকা হলে তারা ঠিকভাবে অভিভাবককে অবহিত করে না। তাই নিজেদের সন্তান/পোষ্যের খোঁজ-খবর নিতে অভিভাবকদেরকেই কলেজে আসতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হচ্ছে।
verified_user

নিয়ম-শৃঙ্খলা বিধি

শিক্ষার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য হলো সুশৃঙ্খলভাবে ও সুপরিকল্পিত উপায়ে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক (intellectual), মানসিক (mental) ও আধ্যাত্মিক (spiritual) সত্তার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটানো।

মানুষের দৈহিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক প্রতিভার যথার্থ স্ফুরণ ঘটানোর জন্য সার্বিক শৃঙ্খলা হচ্ছে একটি অত্যাবশ্যকীয় পূর্বশর্ত। বাস্তবে দেখা যায়, যে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা জাতি নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রতি যত বেশি নিষ্ঠাবান, সে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা জাতি তত বেশি উন্নত।

ঢাকা সিটি কলেজের লক্ষ্য জাতিকে শিক্ষিত, সুশৃঙ্খল, দক্ষ, সৎ ও নিষ্ঠাবান জনশক্তি উপহার দেওয়া। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে কলেজের প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে নিম্নলিখিত নিয়ম-শৃঙ্খলা বিধিসমূহ নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হয়।

কলেজ-ইউনিফর্ম
ঢাকা সিটি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজ-ইউনিফর্ম ও পরিচয়পত্র কলেজ কর্তৃক সুনির্দিষ্ট রয়েছে। ক্লাস করা, পরীক্ষা দেওয়া বা যেকোনো কাজে কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে সকল ছাত্র-ছাত্রীর কলেজ ইউনিফর্ম পরে থাকা বাধ্যতামূলক।
এমনকি বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষাসমূহ, যা অন্য কলেজ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়, সেক্ষেত্রেও কলেজ ইউনিফর্ম পরিধান করে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অত্যাবশ্যক।
ছাত্রদের ইউনিফর্ম
উচ্চ মাধ্যমিক: সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট (প্লেইন কাপড়ের) ও অক্সফোর্ড কালো জুতা। সাদা-কালো রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
বিবিএ প্রফেশনাল: পেস্ট কালারের শার্ট, কালো প্যান্ট (প্লেইন কাপড়ের), কালো জুতা এবং অলিভ রঙের পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং: অ্যাশ কালারের শার্ট, কালো প্যান্ট (প্লেইন কাপড়ের), কালো জুতা এবং নীল রঙের পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে।
স্নাতক (সম্মান): ক্রিম রঙের শার্ট, কালো প্যান্ট (প্লেইন কাপড়ের) এবং কমলা রঙের পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে।
এমএ ও এমএসএস: সাদা শার্ট, কালো প্যান্ট (প্লেইন কাপড়ের), কালো জুতা এবং জলপাই রঙের পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে।
ছাত্রীদের ইউনিফর্ম
উচ্চ মাধ্যমিক: সাদা রঙের সালোয়ার, কামিজ ও ওড়না (বেল্টের সঙ্গে সাদা রঙের ওড়না ‘V’ আকৃতিতে আটকে) পরিধান করতে হয়। সাদা-কালো রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে এবং সাদা কেডস পরতে হবে।
স্নাতক (সম্মান): সাদা রঙের সালোয়ার, কামিজ ও ওড়না। কমলা রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে এবং পাম্প শু অথবা স্যান্ডেল পরতে হবে।
বিবিএ (প্রফেশনাল): সাদা রঙের সালোয়ার, কামিজ ও ওড়না। অলিভ রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে এবং পাম্প শু অথবা স্যান্ডেল পরতে হবে।
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং: সাদা রঙের সালোয়ার, কামিজ ও ওড়না। নীল রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে এবং পাম্প শু অথবা বেল্টযুক্ত স্যান্ডেল পরতে হবে।
এমএ ও এমএসএস: সাদা রঙের সালোয়ার, কামিজ ও ওড়না। জলপাই রঙের কলেজ পরিচয়পত্র গলায় ঝুলাতে হবে এবং পাম্প শু অথবা স্যান্ডেল পরতে হবে।
workspace_premium

বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার ফলাফল

ঢাকা সিটি কলেজের একাডেমিক উৎকর্ষতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিকভাবে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন। নিম্নে কয়েক বছরের উচ্চ মাধ্যমিক, স্নাতক (সম্মান), প্রফেশনাল ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পরীক্ষার ফলাফলের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো।

school উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ফলাফল
বিভাগ বছর মোট পরীক্ষার্থী মোট পাস GPA 5.00 পাসের হার
বিজ্ঞান 2016 1189 1171 832 98.49%
20171460145690599.72%
20181475147276499.80%
20191701169347195.53%
2020177917791768100.00%
202117281725168199.83%
202217691762153699.60%
20231767174871698.92%
202420072003154499.80%
20252044201861699.10%
ব্যবসায় শিক্ষা 20161486139718394.01%
20171049103815098.95%
2018128412687299.75%
20191567155524499.23%
202014761476365100.00%
20211295129365599.85%
20221360135658699.70%
20231394137617198.71%
20241332132323799.32%
20251269121812595.99%
মানবিক 20161381320295.66%
2017949404100.00%
201874700194.59%
20191021001098.04%
202012412437100.00%
202114714783100.00%
202213213263100.00%
20231381350797.83%
20241211191698.35%
20251351331198.66%
workspace_premium জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সম্মান কোর্স
বিগত কয়েক বছরের বিবিএ (সম্মান), বিএ (সম্মান) ও বিএসএস (সম্মান) চূড়ান্ত পরীক্ষার ফলাফল।
2019 সালের বিবিএ (সম্মান) ও বিএ (সম্মান) ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 3.78–3.00 GPA 2.99–2.52 অন্যান্য মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান158127220914994.30%
ব্যবস্থাপনা14495272212284.73%
মার্কেটিং158133190615296.20%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং149144000514496.56%
ইংরেজি14727942612182.32%
অর্থনীতি432214073683.73%
2020 সালের বিবিএ (সম্মান) ও বিএ (সম্মান) ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 3.78–3.00 GPA 2.99–2.52 মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান1411032412790.07%
ব্যবস্থাপনা1241061712399.19%
মার্কেটিং1291071612395.35%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং1301010310480.00%
ইংরেজি11213839685.71%
অর্থনীতি4608223065.22%
2021 সালের বিবিএ (সম্মান) ও বিএ (সম্মান) ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 3.78–3.00 GPA 2.99–2.52 মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান115732810187.82%
ব্যবস্থাপনা115614510692.17%
মার্কেটিং108703310395.37%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং9892049697.95%
ইংরেজি10211788987.25%
অর্থনীতি3713162978.37%
2022 সালের বিবিএ (সম্মান) ও বিএ (সম্মান) ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 3.73–3.00 GPA 2.99–2.42 মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান9145317683.52%
ব্যবস্থাপনা8024477188.75%
মার্কেটিং3420133397.06%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং5844135798.28%
ইংরেজি6719395886.57%
অর্থনীতি2609122180.77%
2023 সালের বিবিএ (সম্মান) ও বিএ (সম্মান) ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 4.00–3.00 GPA 2.99–2.00 মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান8753217485.05%
ব্যবস্থাপনা5622214376.78%
মার্কেটিং2817092692.85%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং5143044792.16%
বাংলা04010304100%
ইংরেজি6019345388.33%
অর্থনীতি18150318100%
business_center বিবিএ (প্রফেশনাল)
বিবিএ প্রফেশনাল ফাইনাল পরীক্ষার বিগত কয়েক বছরের ফলাফল।
2019 সালের বিবিএ ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী 310
মোট উত্তীর্ণ 287
পাসের হার 92.58%
2020 সালের বিবিএ ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী 268
মোট উত্তীর্ণ 262
পাসের হার 92.58%
2021 সালের বিবিএ ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী 240
মোট উত্তীর্ণ 236
পাসের হার 98.33%
2022 সালের বিবিএ ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী 211
মোট উত্তীর্ণ 204
পাসের হার 96.68%
2023 সালের বিবিএ ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী 248
মোট উত্তীর্ণ 240
পাসের হার> তথ্য যাচাই প্রয়োজন —
computer কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
2019 সালের কম্পিউটার সায়েন্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী169
মোট উত্তীর্ণ124
পাসের হার73.37%
2020 সালের কম্পিউটার সায়েন্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী197
মোট উত্তীর্ণ182
পাসের হার92.39%
2021 সালের কম্পিউটার সায়েন্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী159
মোট উত্তীর্ণ152
পাসের হার95.59%
2022 সালের কম্পিউটার সায়েন্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী115
মোট উত্তীর্ণ103
পাসের হার89.57%
2023 সালের কম্পিউটার সায়েন্স ফাইনাল পরীক্ষার ফলাফল
মোট পরীক্ষার্থী131
মোট উত্তীর্ণ114
পাসের হার87.02%
auto_stories মাস্টার্স শেষ পর্বের ফলাফল
২০১৮–২০২২ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষার নির্বাচিত ফলাফল।
বিষয় মোট পরীক্ষার্থী GPA 4.00–3.50 GPA 3.49–3.00 GPA 2.99 থেকে মোট উত্তীর্ণ পাসের হার
হিসাববিজ্ঞান965452177982.29%
ব্যবস্থাপনা623420085487.00%
মার্কেটিং792625285164.55%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং645604046093.75%
ইংরেজি1006040010100%
2019 সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব
হিসাববিজ্ঞান97.56%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং98.00%
অর্থনীতি100%
2020 সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব
হিসাববিজ্ঞান92.59%
মার্কেটিং96.33%
অর্থনীতি100%
2021 সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব
হিসাববিজ্ঞান88.88%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং95.17%
অর্থনীতি100%
2022 সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব
হিসাববিজ্ঞান93.18%
ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং93.75%
অর্থনীতি100%